শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্য

রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৪০ পঠিত
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্য
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্য

যেকোনো দেশের জাতীয় ফল বাছাই করার আগে সাধারণত দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। দেশে সেই ফলটি অনেক বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় কি না। দেশের মানুষ ফলটির সাথে পরিচিত কিনা। সে বিবেচনায় কাঁঠাল আমাদের দেশে সর্বমহলে পরিচিত। পাশাপাশি কাঁঠালগাছের প্রতিটি অংশই ব্যবহারযোগ্য। পাকা কাঁঠাল দারুণ সুস্বাদু। কাঁচা কাঁঠালও রান্না করে খাওয়া যায়। কাঁঠালগাছের পাতা ও কাঁঠালের মোটা খোসা পশুপাখিদের খাদ্য। কাঁঠালগাছের কাঠও বেশ উন্নতমানের। এসব কারণে কাঁঠাল সুপ্রাচীন কাল থেকে দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি বা প্রিয়। এ জন্যই কাঁঠালকে জাতীয় ফলের মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল।

দক্ষিণ ভারতের পশ্চিম ঘাট এবং মালয়েশিয়ার বৃষ্টি অরণ্যের মধ্যবর্তী অঞ্চল কাঁঠালের উৎপত্তি স্থান হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশ, ভারত (আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণ ভারত, বিহার), মায়ানমার, মালয়, শ্রীলঙ্কায় কাঁঠালের চাষ করা হয়। তবে ব্রাজিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজেও সীমিত আকারে কাঁঠাল জন্মায়। সাধারণত লালচে মাটি ও উঁচু এলাকায় এটি বেশি দেখা যায়।

কাঁঠালের বেশ কিছু জাত রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতে চাষ করা জাতসমূহ মোটামুটি দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। গালা ও খাজা। এ দুটি জাত ছাড়াও কাঁঠালের আরও জাত আছে। সেগুলো হলো- রুদ্রাক্ষি, সিঙ্গাপুর, সিলোন, বারোমাসী, গোলাপগন্ধা, চম্পাগন্ধা, পদ্মরাজ, হাজারী প্রভৃতি। তন্মধ্যে শুধুমাত্র হাজারী কাঁঠাল বাংলাদেশে আছে, বাকীগুলো আছে ভারতে।

কাঁঠালে আছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক এবং নায়াসিনসহ বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান। অন্যদিকে কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন আছে, যা মানব দেহের জন্য উপকারী।

এ সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর

বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কী?
– কাঁঠাল।
কাঁঠাল গাছের ইংরেজি নাম কী?
– Jack tree.
কাঁঠাল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
– Artocarpus integra.

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের জাতীয় ফুল সাদা শাপলা সম্পর্কিত জানা-অজানা তথ্য

কাঁঠালের জন্য বিখ্যাত কোন কোন এলাকা?
– সাভার, নরসিংদী, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, যশোরে এলাকায় প্রচুর কাঁঠাল জন্মে। তবে কাঁঠাল সাধারণত বাংলাদেশের সব এলাকায়ই কম-বেশি জন্মে।
উদ্ভিদ বিজ্ঞানের পরিভাষায় কাঁঠালের নাম কী?
– সরোসিস (Sorsis)
কাঁঠাল কথাটির উৎপত্তি হয়েছে কোন শব্দ থেকে?
– কন্টকফল।
কাঁঠালগাছ কোন ধরনের উদ্ভিদ?
– সপুষ্পক উদ্ভিদ।

⇒ চাকরির প্রস্তুতির জন্য এ জাতীয় সকল তথ্য পেতে এখানে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একই ধরনের আরও সংবাদ
© Current Memory 2022 - 2023
Designed by BLACK iz Limited